ডেঙ্গু জ্বর কি? ডেঙ্গু জ্বর হলে করণীয়।

আমরা সবাই ইতিমধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে অবগত। ডেঙ্গু জ্বর এমন একটি রোগ যা মানুষের জীবন হুমকির মধ্যে ফেলে দিতে পারে। বর্তমানে প্রায় আমাদের দেশের সব অঞ্চলেই এর প্রভাব বিস্তার করেছে। আজকে আমরা জানবো ডেঙ্গু কি? এই ডেঙ্গু রোগ কিভাবে হয়? আমরা ডেঙ্গু রোগ থেকে কিভাবে থেকে রক্ষা পেতে পারি। কিভাবে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিকার এবং প্রতিরোধ করতে পারি। ডেঙ্গু রোগের সকল বিষয় থাকছে আজকের এই আর্টিকেলে –

বাংলাদেশে ভাইরাস জনিত রোগের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বর ( ডেঙ্গী ) জ্বর অন্যতম। যে ভাইরাসের কারণে ডেঙ্গু জ্বর হয় সেটা হলো ফ্লাভি ভাইরাস ( FlaviVirus ) বা ডেঙ্গী ভাইরাস। এটি একটি RNA ভাইরাস। এই ভাইরাসের নিউক্লিক এসিড হিসেবে থাকে একসূত্রক RNA ( Ribo Nucleic Acid ).
ডেঙ্গু রোগের বাহক (Vector) ও পোষক ( Host ) : প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে প্রায় ১০ কোটির বেশি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। ডেঙ্গু জ্বরের প্রধান বাহক বা ভেক্টর হচ্ছে অ্যাডিস এজিপ্টি (Aedes aegypti) যাকে আমরা এডিস মশা বলে জানি। ও এডিস অ্যালবোপিক্টাস (Aedes albopictus) নামক স্ত্রী মশকী। যে মশার কামড়ে অনেক মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে।


আর ডেঙ্গু রোগের একমাত্র পোষক বা Host হচ্ছে মানুষ। এডিস মশার ডিম উৎপাদনের জন্য মানুষের রক্তের প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। এজন্য এই মশা মানুষকে কামড়ায়।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ :

  •  মাত্রাতিরিক্ত জ্বর ( ১০২°- ১০৫° F )
  •  তীব্র মাথা ব্যথা।
  •  চোখের কোটরে ব্যথা। চোখ নাড়াতে গেলে ব্যথা লাগে।
  •  শরীরে লাল লাল র‍্যাশ দেখা দেয়।
  •  পেশি ও বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা।
  •  বমি ও বমি বমি ভাব হয়।
  •  দাঁতের মাড়ি, নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ।
  •  কোষ্ঠকাঠিন্য।
  •  সব খাবারে অরুচি।
  •  পায়খানার সাথে রক্ত যায়।
  •  প্রচন্ড ক্লান্তি ও অবসাদগ্রস্ততা।

ডেঙ্গু জ্বর বা ডেঙ্গু রোগ সাধারণত তিন প্রকার হয়ে থাকে।

১. স্বাভাবিক ডেঙ্গু জ্বর
২. হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর ও
৩. ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম

স্বাভাবিক ডেঙ্গু জ্বর

স্বাভাবিক ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা ১০২°- ১০৪ ° F পযর্ন্ত হয়ে থাকে এবং অল্প কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন – মাথা ব্যথা, শরীরে লাল লাল র‍্যাশ, পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা, চোখের কোটরে ব্যথা ইত্যাদি । জ্বর সাধারণত এক সপ্তাহ ( ৭ দিন ) স্থায়ী হতে পারে। জ্বর সেরে যাবার পর আবারও জ্বরের মাত্রা বাড়তে পারে।

হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর ( HDF : Hemorrhagic Dengue Fever )

  •  মেরুদন্ডসহ কোমড়ে ব্যথা হয়।
  • পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা হয়।
  • বমি ও বমি বমি ভাব হয়।
  • দাঁতের মাড়ি, নাক, মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ।
  • এমনকি অনুচক্রিকার পরিমাণ হ্রাস পায়।

ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম ( Dengue Shoke Syndrome )

এতে আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থা মারাত্মক আকার ধারণ করে।

  • রক্তচাপ কমে যায়।
  • অভ্যন্তরীণভাবে রক্তপাত হয়।
  • ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স হয়।
  • এমনকি মস্তিষ্কে ও রক্তক্ষরণ হয়।

তিন ধরনের ডেঙ্গু জ্বরের মধ্যে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর ও ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম খুবই মারাত্মক!!

সুপ্তিকাল ( Incubation period ) : বিভিন্ন প্রকার প্যাথোজেন যেমন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া মানুষের দেহে আক্রমণ করার পর যতদিন পর রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায় সেই সময়টা সুপ্তিকাল বা ইনকিউবেশন পিরিয়ড ( incubation period ) নামে পরিচিত। অ্যাডিস এজিপ্টি ও এডিস অ্যালবোপিক্টাস নাম মশকী মানবদেহে কামড়ানোর ফলে সাধারণত ২ থেকে ৭ দিন পর ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায়। অতএব ডেঙ্গু জ্বরের সুপ্তিকাল হলো ২ থেকে ৭ দিন।

ডেঙ্গু রোগ নির্ণয় : যেসব পরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গু জ্বর শনাক্ত করা হয় তা হলো –


১. অ্যান্টিবডি পরীক্ষা :
অ্যান্টিবডি পরীক্ষায়  ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর রক্তে ইমিউনোগ্লোবিউলিন জি (IgG) ও ইমিউনোগ্লোবিউলিন এম (IgM) উপস্থিত থাকে।

২. NS1 Ag পরীক্ষা : জ্বর আসার সাধারণত ৩ থেকে ৫ দিন পর এই NS1 Ag পরীক্ষা করা হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর রক্তে NS1 Ag অ্যান্টিজেন উপস্থিত থাকে।

৩.প্লেটলেট পরীক্ষা: রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা অনেক কমে যায়। প্রায় ১৫০০০০ / mm3 এর নিচে নেমে যায়।

ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ কিভাবে হয়?


ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত রোগ হলেও এটি ছোঁয়াচে নয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে ঘুমালে, কথা বললে,স্পর্শ করলে, তার ব্যবহার্য তৈজসপত্র ব্যবহার করলে, ডেঙ্গু রোগীর সেবা করলে অন্য জনের ডেঙ্গু জ্বর হবার কোনো সম্ভাবনা নেই। শুধুমাত্র ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত অ্যাডিস এজিপ্টি ও এডিস অ্যালবোপিক্টাস নামক মশকীর কামড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাস মানবদেহে সঞ্চারিত হয়। মশকী যদি আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ানোর পর কোনো সুস্থ মানুষের দেহে কামড় দেয়, তবেই এই ভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে। এজন্য আক্রান্ত ব্যক্তিকে মশারির মধ্যে রাখতে হবে।

এডিস মশা চেনার উপায় : খালি চোখে দেখে ও এডিস মশা শনাক্ত করা যায়। এডিস মশা সাধারণ মাঝারি আকৃতির হয়ে থাকে। এর গায়ে জেব্রার মতো সাদা কালো ডোরাকাটা দাগ দেখা যায়।

এডিস মশা কখন কামড়ায় : এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়। ভোরে অর্থাৎ সূর্য ওঠার পর পর এবং সন্ধ্যার আগে অর্থাৎ ৪ টা থেকে ৫ টা নাগাদ সময়টাতে এডিস মশা বেশি কামড়ায়।

এডিস মশা কোথায় কামড় দেয় : সাধারণত পায়ের নিচের অংশ খোলা থাকায় এডিস মশা পায়েই বেশি কামড় দেয়। এডিস মশা যে শুধু পায়ে কামড় দেয় এমনটা নয় সুযোগ পেলে শরীরের যেকোনো অংশেই কামড় দেয়।

কারা বেশি ডেঙ্গু ঝুঁকিতে আছে?

১. গর্ভবতী নারী : গর্ভবতী কোনো নারী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে দ্রুত তাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। কারণ ডেঙ্গু ভাইরাস গর্ভস্থ বাচ্চাতেও সংক্রমিত হয় এবং বাচ্চার জন্মগত ত্রুটি, স্নায়ুবিক জটিলতা সৃষ্টি করে। মায়ের রক্তচাপ (Blood pressure ) কমিয়ে দেয়। পানিশূন্যতা সৃষ্টি করে ( অত্যধিক বমির কারণে )। এমনকি গর্ভপাত হওয়ার ও সম্ভাবনা থাকে।

২. ডায়াবেটিস পেশেন্ট : পানিশূন্যতা (Dehydration) হয়। ও হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Blood Sugar কমে যায়)।
৩. হার্টের রোগী : যারা দীর্ঘদিন হার্টের সমস্যায় ভুগছেন।
৪. শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক : সাধারণত ১ বছরের কম বয়সি শিশু এবং যাদের বয়স ৬০ বছরেরও অধিক। কারণ এদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে।

ডেঙ্গু জ্বর হলে কি কি খাবার খেতে হবে?

ডেঙ্গু রোগীর খাদ্য তালিকায় পানি জাতীয় খাবার বেশি করে রাখতে হবে। যেমন – ডাবের পানি, স্যুপ, ফলের রস ইত্যাদি। এছাড়াও ভিটামিন সি জাতীয় ফলমূল রাখতে হবে।

এছাড়াও প্রোটিন ও আয়রনযুক্ত খাবার যেমন – মাছ, মুরগির মাংস, ডিম, দুধ, কচুশাক, বিভিন্ন ফলমূল এসব খাওয়াতে হবে। কেননা, আয়রন প্লেটিলেট বৃদ্ধি করে। আর প্রোটিন পেশি গঠন করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ঘুমের হরমোন (মেলাটোনিন ) তৈরি করে, ব্লাড সুগার  (হাইপোগ্লাইসেমিয়া,  হাইপারগ্লাইসেমিয়া )  নিয়ন্ত্রণ করে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবার পর যদি কারো ডায়রিয়া হয় সেক্ষেত্রে প্রোটিন জাতীয় খাবার বাদ রাখতে হবে। বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়াতে হবে যাতে করে পানিশূন্যতা না হয়। এজন্য ORS ( oral rehydration saline ) , ডাবের পানি, স্যুপ, জাও ভাত, কাচা কলা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে। উল্লেখ্য ডাবের পানি ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স করে।

ডেঙ্গু রোগীকে ঔষধ হিসেবে শুধুমাত্র প্যারাসিটামল দিতে হবে। কেননা, প্যারাসিটামল Analgesics ( ব্যথানাশক) ও Anti-pyretic (জ্বর নাশক) উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।

ডেঙ্গু রোগীকে কেন অ্যাসপিরিন দেওয়া যাবে না!!

ডেঙ্গুতে অ্যাসপিরিন ব্যবহারে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এই বিষয়ে সকল চিকিৎসকের সচেতন থাকা লাগবে।


  • অ্যাসপিরিন রক্তচাপ ( blood pressure ) কমিয়ে দেয়। Abnormal liver functions এবং liver failure এর জন্য দ্বায়ী অ্যাসপিরিন।
  •  অ্যাসপিরিন একটি অ্যান্টি-প্লাটিলেট ড্রাগ। এটি প্লেটিলেটকে একত্রিত হতে এবং জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। ফলে অভ্যন্তরীণ রক্তপাত ( Internal bleeding ) বৃদ্ধি পায়।
  •  কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র Central nervous system (CNS ) এর বিভিন্ন সমস্যা হয়। যেমন : Headache ( মাথাব্যথা ), Tinnitus ( কানে ইনফেকশনের একটি লক্ষণ ), Dizziness ( মাথা ঘোরা )।
  •  এছাড়াও রক্তপাতের ঝুকি এড়াতে ডেঙ্গু রোগীকে ন্যাসোগ্যাস্ট্রিক টিউব পড়ানো যাবে না। আইএম (IM – Intramuscular ) ইনজেকশন দেওয়া যাবে না।

ডেঙ্গু প্রতিকার!

জ্বর আসলে প্রথমেই যেটা করণীয় সেটা হলো মাথায় প্রচুর পানি দেওয়া এবং শুকনো কাপড় পানিতে ভিজিয়ে সারা শরীর স্পঞ্জ করে দেওয়া।

রোগীকে ভারী কাজ করতে বারণ করা। পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নেওয়া। তবে একটু হাটাচলা করা উচিত অন্যথায় সারাদিন শুয়েবসে থাকলে অবসাদগ্রস্ততা কাজ করবে।

রোগীকে প্রোটিন ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। প্রচুর পানি পান করতে হবে  ( প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ লিটার ) ডিহাইড্রেশন রোধে।  এছাড়াও ORS, ডাবের পানি, ফলের রস, স্যুপ ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

নির্দিষ্ট সময় পর পর শরীরের তাপমাত্রা ও পালস রেট চেক করতে হবে। জ্বর কমানো ও ব্যথানাশক হিসেবে প্যারাসিটামল (Paracetamol) একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন ৪০০০ মিলিগ্রাম ( ৪ গ্রাম ) প্যারাসিটামল সেবন করতে পারে।

ছোট বাচ্চাদের ডেঙ্গু হলে তাদেরকে অবশ্যই মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এছাড়াও পুষ্টিকর খাবারের সাথে  ভিটামিন সি জাতীয় খাবার রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়।

ডেঙ্গুর সুনির্দিষ্ট (specific) কোনো চিকিৎসা না থাকায় নিবিড় পরিচর্যা এবং সঠিক খাদ্যাভাসের মাধ্যমে একজন মানুষ দ্রুতই সেরে উঠবেন। পাশাপাশি দরকার মানসিক সাপোর্ট যেটার মাধ্যমে একজন রোগী  অতি তাড়াতাড়ি আরোগ্য লাভ করেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের করণীয়।

আমরা সবাই অবগত আছি যে, Prevention is better than cure অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

  •  যেহেতু ভাইরাস আক্রান্ত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে এই রোগটি ছড়ায়, সেজন্য এডিস মশার কামড় থেকে আত্মরক্ষায়ই হলো ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান পদক্ষেপ।
  • সবার আগে এডিস মশার আবাসস্থল ধ্বংস করতে হবে। এডিস মশা স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে। ডিম থেকে পূর্ণাঙ্গ এডিস মশা হতে প্রায় ৭ দিন সময় লাগে। পানি জমে থাকে এমন জায়গা যেমন – ফ্রিজের নিচে, এয়ারকুলারের নিচে, ভাঙা ফুলের টব, টায়ার, বোতল, ডাবের খোসা ইত্যাদি থেকে পানি অপসারণ করতে হবে। যাতে করে এডিস মশা ডিম পাড়তে না পারে।
  •  এডিস মশা গড়ে ২১ দিন বাঁচে। একারণে মশা নিধনের জন্য পতঙ্গনাশক স্প্রে করতে হবে।
  •  পায়ে মোজা এবং ফুল হাতা জামা পড়তে হবে।
  •  শরীরে লোশন বা ক্রীম ব্যবহার করতে হবে।
  •  অনেকেরই দুপুরে খাওয়ার পর ঘুমানোর অভ্যাস আছে। ঘুমানোর সময় মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে অথবা মশার কয়েল জ্বালাতে হবে আথবা ইলেকট্রিক ভ্যাপার ম্যাট ব্যবহার করতে হবে।
  •  যেসময়টা এডিস মশা কামড়ায় সেই সময় বাইরে ঘোরাফেরা না করাই উত্তম।

আশাকরি ডেঙ্গু রোগ বা ডেঙ্গু জ্বর কি? কিভাবে ডেঙ্গু জ্বর রোগ হয়। ডেঙ্গু হলে কি কি করতে হবে, কি খেতে হবে কি বর্জন করতে হবে ও কি কি চিকিৎসা নিতে হবে। এবং ডেঙ্গুর প্রতিকার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে এই আর্টিকেলের মধ্যে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এবং আপনারা ডেঙ্গু সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ডেঙ্গু সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে মন্তব্য করতে পারেন। আমরা আপনাকে সঠিক তথ্য দিবো। এবং আপনার যদি এই বিষয়ে কোনো নির্ভুল অভিজ্ঞতা থেকে থাকে তাহলে আমাদের জানাতে ভুলবেন না।

You May Also Like

About the Author: Mst.Yeasmin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

41 + = 49
Powered by MathCaptcha

error: Content is protected !!